মালিকদের জন্য
বাড়ির মালিকানা, এবার সহজ।
প্রতি মাসে কাগজের রসিদ লিখতে হাত ব্যথা? বকেয়া ভাড়া মনে রাখা কঠিন? Ghor এই সব ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়, মাত্র কয়েক ট্যাপে।
এই সমস্যাগুলো চেনা?
মাসের শেষে ভাড়া আদায়ের ঝামেলা
৫টা ফ্ল্যাটের ৫ রকম ভাড়া, ১০বার ফোন করেও কেউ ভাড়া দেয় না।
হাতে লেখা রসিদ, ভুল হলে ফেলে দিতে হয়
কাগজের রসিদ বইয়ের পাতা ফাঁকা পড়ে থাকে। মাঝে মাঝে দু’বার একই নম্বরও পড়ে যায়।
বকেয়া কে দিয়েছে, কে দেয়নি, মনে নেই
৩ মাস পরে গিয়ে দেখা যায় তিনজনের কাছে বাকি আছে, কিন্তু কত? কোন মাসের?
কর হিসাবের সময় ফাইল হাতড়াতে হয়
আয়কর জমার সময় এনবিআর সব আয়ের প্রমাণ চায়, কিন্তু কোন রসিদ কোথায় রেখেছেন মনেই নেই।
Ghor কীভাবে এই সব সমাধান করে
সেকেন্ডে রসিদ, মিনিটে নয়
ভাড়াটিয়া আর ফ্ল্যাটের তথ্য আগে থেকেই বসানো, হিসাবও যোগ হয়ে যায় নিজে নিজে। পিডিএফ বা হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার — এক ট্যাপে।
বকেয়া নিজে নিজেই আপডেট
আংশিক পেমেন্ট? বাকিটা পরের মাসে? Ghor হিসাবটা নিজেই করে নেয়। পুরোনো বকেয়া প্রতি মাসে নতুন বিলের পাশেই দেখায়।
একাধিক বাড়ি, একই ড্যাশবোর্ড
করিম বিল্ডিং, বেগম অ্যাপার্টমেন্টস, পৈতৃক বাড়ি — সব এক জায়গায়। কর জমার সময় প্রতি বাড়ির আলাদা রিপোর্ট হাতের কাছে।
ডিজিটাল চুক্তিনামা, কখনো হারাবে না
মালিক-ভাড়াটিয়া দু'জনের অনস্ক্রিন স্বাক্ষর, নোটিশ পিরিয়ডের হিসাব, সংশোধনের ইতিহাস — সব এক জায়গায়।
Ghor-এ একটা মাস এভাবেই কাটে
- 1
১ তারিখ
স্বয়ংক্রিয় রিমাইন্ডার
এসএমএস আর ইমেইল রিমাইন্ডার নিজে নিজেই চলে যায়। আপনাকে কাউকে ফোন করতে হবে না।
- 2
৫–১০
ভাড়াটিয়া দেয়, আপনি স্ক্যান করেন
Ghor খুলুন → ভাড়াটিয়ার কিউআর স্ক্যান করুন → টাকার অংক আর পদ্ধতি মিলিয়ে নিন → রসিদ আর পিডিএফ তৈরি।
- 3
১৩ তারিখ
বকেয়াদের জন্য তাগাদা
যারা এখনো ভাড়া দেননি, তাদের কাছে আরেকটা রিমাইন্ডার যাবে — কত বাকি সেটাও সাথে থাকে।
- 4
মাসের শেষে
এক ক্লিকে রিপোর্ট
মোট কত আদায় হলো, কত বাকি, কোন বাড়ি থেকে কত — সব দেখুন। হিসাবরক্ষকের জন্য এক্সপোর্ট করুন।
“তিন বছর ধরে কাগজের রসিদ বই ব্যবহার করেছি। এখন Ghor-এ সব ভাড়াটিয়া এক জায়গায়, কোন মাসে কে কত দিল সব দেখতে পাই। ট্যাক্স রিটার্নের সময় হিসাব করতে আগে এক সপ্তাহ লাগত, এখন এক ঘণ্টা।”
করিম সাহেব, ৩টি ভাড়া বাড়ির মালিক, ধানমন্ডি